1. [email protected] : admins :
  2. [email protected] : Kanon Badsha : Kanon Badsha
  3. [email protected] : Nayeem Sajal : Nayeem Sajal
  4. [email protected] : News Editir : News Editir
রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ০৯:৫৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
বিপুল পরিমান বিদেশী মদসহ এক মাদককারবারী’কে গ্রেফতার করেছে দাগনভূঁঞা থানা পুলিশ দিয়াবাড়ির গরুর হাট প্রবেশ পথে ভূয়া স্টিকার লাগিয়ে পিকআপ ড্রাইবারদের চাঁদাবাজির ঘটনায় গ্রেফতার: ৪ কোরবানির পশু চাহিদার চেয়ে বেশি, দাম চড়া আ.লীগ নেতা গ্যাস বাবুর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি কোকাকোলা বিজ্ঞাপন-অমি নয়, বিজ্ঞাপনটি নির্মাণ করেছেন অভিনেতা জীবন নিজেই! চিত্রনায়িকা সুনেত্রা আর নেই রাজ মাল্টি মিডিয়ার ব্যানারে ঈদে আসছে নজরুল রাজের একক নাটক ‘রাইটার’ প্রদর্শক সমিতির নেতাদের সামনে লাঞ্ছিত হল মালিক আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষনা উপ -কমিটির সদস্য হলেন সাইফুল ইসলাম ভুইয়া অশ্রু আনকাট ছাড়পত্র পেল ইকবালের ‘রিভেঞ্জ’

অস্তিত্ব নেই মায়ের কবরটারও! ঘর থেকে নদীর দুরত্ব প্রায় ৫ হাত

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১০ আগস্ট, ২০২৩

মোঃ আমিন হোসেন :- আমার মায়ের কবরটার অস্তিত্বও নেই! ঘর থেকে নদীর দুরত্ব প্রায় ৫ হাত।এইতো কয়েক দিন আগেই আমার ভাই প্রায় ২/৩ লক্ষ টাকা খরচ করে পুরাতন ঘর ভেঙ্গে নতুন ঘর তোলে। সেই ঘরটাও এখন যেকোন মূহুর্তে নদীতে বিলিন হয়ে যাবে।  আমার বাবার প্রায় ১-১৫০ শতাংশ জমি এই নদীতে বিলিন হয়ে গেছে। আমার দাদা,দাদী,ফুফু,বাবা, সবার কবরই নদীর ভয়াল গ্রাসে কেড়ে নিয়েছে।  কান্না জড়িত কন্ঠে কথাগুলো বলেন, নলছিটি উপজেলার তিমিরকাঠি গ্রামের বাসিন্দা শাফিন আমান।

সুগন্ধা নদীর ভাঙনে বিলিন হচ্ছে ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ও জনপদ। নদী পাড়ের ১০গ্রামে তীব্র ভাঙনে দিশেহারা শতশত পরিবার। দফায়  দফায় বাড়ি ছেড়েও রক্ষা মিলছে না। বর্ষা মৌসুম আসলেই শংস্কায় দিন কাটে নদী পাড়ের মানুষের।

এলাকাবাসী জানায়, সুগন্ধা নদীর ভাঙ্গনে শতাধিক পরিবার তাদের মাথা গোজার শেষ সম্বল ভিটেমাটি হারিয়ে আজ তারা দিশে হারা।  একসময়ের মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো নদীর ভয়াল গ্রাসে সব হারিয়ে এখন মানবেতর জীবনযাপন করছে।

উপজেলার তিমিরকাঠি,খোজাখালি,মল্লিকপুর,
সিকদারপাড়া,বহরমপুর,ষাটপাকিয়া,কাঠিপাড়া,অনুরাগসহ ১০টিরও বেশি গ্রাম নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। এরমধ্যে খোজাখালি, দরিরচর ও তিমিরকাঠি এই তিনটি গ্রামের  সম্পূর্নরুপে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। সিকদারপাড়া গ্রামের দুই তৃতীয়াংশ নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। শুধু ঘড়বাড়ি নয়, নদী গর্ভে বিলিনের পথে নলছিটি- দপদপিয়া আঞ্চলিক সড়কও। কর্তৃপক্ষ নামে মাত্র ভাঙন প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিয়েছে যা কোন কাজে আসছে না।

এ ব্যাপারে জেলা পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এ.কে.এম.নিলয় পাশা বলেন, নদীর ভাঙন ঠেকাতে প্রথম পর্যায়ে ৭টি স্থানে ১৩কিঃমিঃ এলাকায় ডাম্পিংয়ের জন্য ৮শ ৫৫কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প তৈরি করে মন্ত্রনালয়ে পাঠানো হয়েছে। তা অনুমোদন হলে নদী পাড়ের মানুষজনকে ভাঙনের কবল থেকে রক্ষা করা যাবে বলে আশা করি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2023 Somoyexpress.News
Theme Customized By BreakingNews