1. [email protected] : admins :
  2. [email protected] : Kanon Badsha : Kanon Badsha
  3. [email protected] : Nayeem Sajal : Nayeem Sajal
  4. [email protected] : News Editir : News Editir
বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ০৬:৪৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
কায়েস আরজু-শিরিন শিলা “গবেট” আজ থেকে সড়ক বন্ধ করে বিশৃঙ্খলা করলে কঠোর ব্যবস্থা: ডিএমপি প্রশ্নফাঁসকাণ্ডে ফেসে যাচ্ছেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, হারাতে পারেন চাকরি সালমান রাজের ‘বধুরে’ গানে হান্নান শাহ-এস কে মাহি সোনাইমুড়ী প্রেসক্লাবে সদস্যদের সাথে ঢাকার বার্তার চেয়ারম্যানের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হাসপাতালে ভর্তি অভিনেত্রী সেঁজুতি খন্দকার কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম ও তার সহযোগী জাকির হোসেন’কে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৩ অনুমতি ছাড়াই বিদেশে প্রদর্শিত হচ্ছে ‘তুফান’ ফ্রান্সে সম্মাননা পেলেন তারকা দম্পতি অনন্ত-বর্ষা বিএনপি-আ.লীগের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি আজ

স্বরূপকাঠি উপজেলার চাঁন মিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৯ম শ্রেণির ছাত্রের মাদক ব্যবসা অতঃপর! 

  • আপডেট সময় শনিবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

আব্দুল্লাহ আল হাদী:- স্বরূপকাঠি উপজেলার চাঁন মিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর বাবা মা’কে শিক্ষকদের সামনে গালাগাল ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়, বিদ্যালয়ে অন্য শিক্ষার্থীদের কাছে মাদক বিক্রি করতেন নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী। এই অভিযোগে ওই শিক্ষার্থীর বাবা বাচ্চু ও মা আসমা বেগমকে ডেকে নিয়ে মারধর করেন আরেক অভিভাবক মনিরুল ইসলাম। এই অভিযোগটি করেছেন আসমা বেগম। তিনি বলেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষক মিলনায়তনে প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলামসহ অন্যান্য শিক্ষকদের সামনেই মনিরুল আমার স্বামীকে চার থেকে পাঁচটি থাপ্পড় মারেন। আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন এবং আমাদের সামনেই আমার ছেলেকে মেরে মাটিতে ফেলে পা দিয়ে বুকের ওপর চেপে ধরেন।

এ সময় সকল শিক্ষক প্রতিবাদ না করে চুপ করে থাকেন। বাচ্চু জানান, শিক্ষকদের অভিযোগের সত্যতা জানতে আমি ছেলেকে বরিশাল নিয়ে মাদকের টেস্ট করাই, কিন্তু সেখানে মাদক সেবনের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। আমি নেছারাবাদ থানায় অভিযোগ করতে গেলে আমার আত্মীয়-স্বজনরা বিকালে বিদ্যালয় কমিটির সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান এ নিয়ে বৈঠক ডেকেছেন বলে জানান। তবে অভিযুক্ত মো. মনিরুল ইসলাম এসব অস্বীকার করে বলেন, আমি কারও গায়ে হাত তুলিনি। অভিভাবক তাদের সন্তানের বিচার না করে সাফাই করায় উপস্থিত সকলের সামনে তিরস্কার করেছি।
পরে বাচ্চ তার ব্যস্ততার কারণে সন্তানের খোঁজ নিতে পারে না বলায় তাকে সরি বলেছি। বাচ্চু আমার খুব কাছের মানুষ। ওর ছেলে মাদকদ্রব্য বিক্রি করেছে বিধায় বিদ্যালয়ের সভাপতি তাকে পুলিশে দিতে চেয়েছিলেন।
আমরা তাকে অনুরোধ করি, ওর জীবন নষ্ট করিনি। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান, একজন ছাত্রের জন্য আমি বাকি পাঁচশত শিক্ষার্থীর ক্ষতি মেনে নেবো না। নেশাজাতীয় দ্রব্য বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে বিক্রি করায় ওই ছাত্রকে ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে। অন্য অভিভাবক সদস্য মনিরুল ভাই বাচ্চু ভাইয়ের ছেলেকে শাসন করেছেন। তখন হয়তো বাচ্চু ভাই লাঞ্ছিত হতে পারেন। আমি সহকারী প্রধান শিক্ষকের বাচ্চা অসুস্থ থাকায় ব্যস্ত ছিলাম। তবে বাচ্চু ভাই ও তার স্ত্রীর ভূমিকা সঠিক ছিল না। তারা তাদের সন্তানের বিচার না করে সাফাই করে গেছেন। ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মো. মন্নান জানান, মনিরুল বাচ্চুকে মারধর করতে উদ্যত হয়েছিল কিন্তু আমরা তাকে শান্ত করি। তার ওপরে আগের রাগ থাকতেই পারে। বিদ্যালয়টির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ আব্দুল হক বলেন, এ ঘটনায় বিদ্যালয়ে বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। উভয় পক্ষের কথা না শুনে আমি কোনো মন্তব্য করবো না।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2023 Somoyexpress.News
Theme Customized By BreakingNews